ঈশ্বরের কাজ এবং জ্ঞান
1. “ওই বজ্রপাত এবং বিদ্যুত্ আমাকে ভীত করে, বুকের ভেতর আমার হৃত্পিণ্ড ধুকপুক করতে থাকে
2. প্রত্যেকে শুনুন! ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর বজ্রের মত শোনায
3. আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্য়ন্ত ঝলকে ওঠার জন্য ঈশ্বর বিদ্যুত্ প্রেরণ করেন
4. বিদ্যুত্ ঝলকের ঠিক পরেই ঈশ্বরের গর্জন-রুদ্ধ কণ্ঠস্বর শোনা যায়
5. ঈশ্বরের বজ্রময কণ্ঠ অসম্ভব সুন্দর
6. ঈশ্বর তুষারকে বলেন, ‘পৃথিবীতে পতিত হও
7. ঈশ্বর তা করেন যাতে প্রত্যেকটি লোক যাদের তিনি সৃষ্টি করেছেন তারা জানতে পারে য়ে, তিনি (ঈশ্বর) কি করতে পারেন
8. পশুরা তাদের গুহাতে ছুটে চলে যায় এবং সেখানে থাকে
9. দক্ষিণ থেকে ঝোড়ো বাতাস ছুটে আসে
10. ঈশ্বরের নিঃশ্বাস থেকে বরফ সৃষ্টি হয় এবং জলের বিশাল আধার জমে যায়
11. ঈশ্বর মেঘকে জলে পূর্ণ করেন এবং মেঘের ভেতর থেকে বিদ্যুত্ পাঠান
12. মেঘগুলো ঘুরে যায় এবং ঈশ্বরের আদেশ মত নড়াচড়া করে
13. ঈশ্বর মেঘকে নিয়ে আসেন বন্যা এনে মানুষকে শাস্তি দেওয়ার জন্য অথবা, জল এনে তাঁর প্রেম প্রদর্শনের জন্য
14. “ইয়োব, এটা শুনুন
15. ইয়োব, আপনি কি জানেন কেমন করে ঈশ্বর মেঘকে নিয়ন্ত্রণ করেন? আপনি কি জানেন কেমন করে ঈশ্বর তাঁর বিদ্যুত্ ঝলক সৃষ্টি করেন?
16. আপনি কি জানেন কেমন করে মেঘ আকাশে ভেসে থাকে? আপনি কি সেই “একজনের” বিস্মযকর কাজগুলো জানেন য়াঁর জ্ঞান নিখুঁত?
17. কিন্তু ইয়োব, আপনি এসবের কিছু জানেন না
18. ইয়োব, আপনি কি মেঘকে প্রসারিত করে ঈশ্বরকে সাহায্য করতে পারেন? মেঘকে উজ্জ্বল পিতলের মত ঝকঝকে তৈরী করেন?
19. “ইয়োব, বলুন আমরা ঈশ্বরকে কি বলবো? আমাদের অজ্ঞতাবশতঃ সেটা চিন্তা করতে পারি না
20. আমি ঈশ্বরকে বলবো না য়ে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম
21. এক জন লোক সূর্য়ের দিকে তাকাতে পারে না
22. ঈশ্বরও সেই রকম! পবিত্র পর্বতথেকে ঈশ্বরের স্বণার্ভ মহিমা বিকীর্ণ হয়
23. ঈশ্বর সর্বশক্তিমান অত্যন্ত মহান
24. সেই জন্যই লোকে ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা করে