প্রজ্ঞার উপর কাজের বক্তৃতা

1. “এমন জায়গা আছে যেখানে মানুষ রূপো পায়, এমন জায়গা আছে যেখানে মানুষ সোনা গলিযে খাঁটি করে

2. মানুষ মাটি খুঁড়ে লোহা বের করে

3. কর্মীরা গুহার মধ্যে আলো নিয়ে যায়

4. খনি-দণ্ডের ওপর কাজ করবার সময় খনির কর্মীরা গভীর পর্য়ন্ত মাটি খোঁড়ে

5. মাটির ওপরে ফসল ফলে, কিন্তু মাটির তলা সম্পূর্ণ অন্যরকম, সব কিছুই য়েন আগুনের দ্বারা গলিত হয়ে রযেছে

6. মাটির নীচে নীলকান্ত মণি এবং খাঁটি সোনা রযেছে

7. বুনো পাখিরা মাটির নীচের পথ সম্পর্কে কিছুই জানে না

8. বন্য পশুরাও কোন দিন সে পথে হাঁটে নি

9. শ্রমিকরা দৃঢ়তম পাথরকেও ভেঙে ফেলে

10. শ্রমিকরা পাথর কেটে সুড়ঙ্গ তৈরী করে

11. শ্রমিকরা জলকে বাঁধ্বার জন্য বাঁধ তৈরী করে

12. “কিন্তু প্রজ্ঞা কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে? আমরা কোথায় বোধশক্তি খুঁজতে যাবো?

13. আমরা জানি না প্রজ্ঞা কি মূল্যবান জিনিস

14. গভীর মহাসমুদ্র বলে, ‘আমার কাছে প্রজ্ঞা নেই

15. সব চেয়ে খাঁটি সোনার বিনিময়েও তুমি প্রজ্ঞা কিনতে পারবে না

16. ওফীরের সোনা বা অকীক মণি বা নীলকান্ত মণি দিয়েও প্রজ্ঞা কেনা যায় না

17. প্রজ্ঞা সোনা ও স্?টিকের থেকেও মূল্যবান

18. প্রবাল বা মণির চেয়েও প্রজ্ঞা মূল্যবান

19. কূশদেশীয পোখরাজ মণিও প্রজ্ঞার মতো সমমূল্যের নয়

20. “তাহলে প্রজ্ঞা কোথা থেকে আসে? বোধশক্তি খুঁজতে আমরা কোথায় যাবো?

21. পৃথিবীর প্রত্যেকটি জীবন্ত বিষয়ের থেকেই প্রজ্ঞা নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে

22. মৃত্যু ও ধ্বংস বলে, ‘আমরা প্রজ্ঞাকে খুঁজে পাই নি

23. “একমাত্র ঈশ্বরই প্রজ্ঞার পথ জানেন

24. ঈশ্বর পৃথিবীর প্রান্ত পর্য়ন্ত দেখতে পান

25. ঈশ্বর বাযুর গুরুত্ব নিরূপণ করেছেন

26. তিনিই বৃষ্টির নিয়ম এবং সেখানে কতটা জল থাকবে এবং মেঘ গর্জনের পথ স্থির করেছেন

27. সেই সময় ঈশ্বর প্রজ্ঞাকে দেখেছিলেন এবং এসম্পর্কে ভেবেছিলেন

28. ঈশ্বর মানুষকে বললেন: “প্রভুকে শ্রদ্ধা করো ও ভয় কর সেটাই প্রজ্ঞা

Bibles

Books

Chapters