যুদ্ধ পরিচালনার নীতি
1. “তোমরা শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে যদি দেখ য়ে তোমাদের থেকেও তাদের অনেক বেশী ঘোড়া, রথ এবং লোক রয়েছে, তবে ভয় পেও না
2. “যখন তোমরা যুদ্ধে যাও তখন যাজক অবশ্যই সৈন্যদের কাছে যাবে এবং তাদের সঙ্গে কথা বলবে
3. যাজক বলবে, ‘ইস্রায়েলের লোকরা আমার কথা শোন! আজ তোমরা তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাচ্ছ
4. কেন? কারণ প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের সঙ্গে যাচ্ছেন
5. “ঐ লেবীয় গোষ্ঠীভুক্ত পদাধিকারী সৈন্যদের বলবে, ‘তোমাদের মধ্যে কি এমন কোনও ব্যক্তি আছে য়ে নতুন বাড়ী তৈরী করেছে, কিন্তু সেটিকে এখনও নিবেদন করেনি? সেই ব্যক্তির অবশ্যই বাড়ী ফিরে যাওয়া উচিত্
6. এখানে কি এমন কোনও ব্যক্তি আছে য়ে ক্ষেতে দ্রাক্ষার চারা রোপণ করেছে, কিন্তু এখনও পর্য়ন্ত কোন দ্রাক্ষা একত্রিত করেনি? সেই ব্যক্তির অবশ্যই বাড়ী ফিরে যাওয়া উচিত্
7. এখানে কি এমন কোনও ব্যক্তি আছে য়ে বিবাহের জন্য বাগ্দত্ত? সেই ব্যক্তির অবশ্যই বাড়ী ফিরে যাওয়া উচিত্
8. “সেই লেবীয় পদাধিকারীরা সৈন্যদের একথাও জিজ্ঞাসা করবে, ‘তোমাদের মধ্যে কি এমন কোন ব্যক্তি আছে য়ে উত্সাহ হারিযেছে এবং ভীত হয়েছে? সে অবশ্যই বাড়ী ফিরে যাবে
9. পরে সৈন্যদের সঙ্গে পদাধিকারীরা যখন কথাবার্তা শেষ করবে তখন তারা অবশ্যই সেনাধ্যক্ষদের নির্বাচিত করবে
10. “যখন তোমরা কোন শহর আক্রমণ করতে যাবে, তখন প্রথমে সেখানকার লোকদের শান্তির আবেদন জানাবে
11. যদি তারা তোমাদের প্রস্তাব স্বীকার করে এবং দরজা খুলে দেয়, তাহলে সেই শহরের সমস্ত লোকরা তোমাদের ক্রীতদাসে পরিণত হবে এবং তোমাদের জন্য কাজ করতে বাধ্য হবে
12. কিন্তু যদি শহরের লোকরা তোমাদের শান্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসে তাহলে তোমরা অবশ্যই শহরটিকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলবে
13. এবং যখন শহরটিকে অধিগ্রহণ করতে প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের সাহায্য করবেন, তখন তোমরা অবশ্যই সেখানকার সমস্ত পুরুষদের হত্যা করবে
14. কিন্তু তোমরা তোমাদের নিজেদের জন্য স্ত্রীলোকদের, শিশুদের, গোরু এবং শহরের যাবতীয় জিনিস নিতে পার
15. তোমাদের থেকে অনেক দূরের সমস্ত শহরগুলোর প্রতি তোমরা এই কাজ করবে - তোমরা য়ে দেশে বাস কর সেখানকার শহরগুলো বাদ দেবে
16. “কিন্তু প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের য়ে দেশ দিচ্ছেন তোমরা যখন সেই দেশের শহরগুলো অধিগ্রহণ করবে, তখন সেখানে শ্বাস নেয় এমন কাউকে জীবিত রাখবে না
17. তোমরা অবশ্যই প্রভুর আদেশ অনুসারে হিত্তীয়, ইমোরীয়, কনানীয় পরিষীয়, হিব্বীয় এবং য়িবুষীযদের পুরোপুরি ধ্বংস করবে
18. কারণ তা না হলে তারা প্রভু, তোমাদের ঈশ্বরের বিরুদ্ধে পাপ করতে শেখাবে; তারা তাদের দেবতাদের পূজা করার সময় য়ে সাংঘাতিক কাজগুলি করে সেগুলো তোমাদের শেখাবে
19. “যখন তোমরা একটি শহরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, তোমরা দীর্ঘকাল ধরে সেই শহরটিকে ঘিরে রাখতে পার
20. কিন্তু তোমরা য়ে গাছগুলোকে ফলের গাছ নয় বলে জানো, সেগুলোকে কাটতে পারো